আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ! প্রিয় পাঠক
আমাদের সকলেরই মুসলিম হওয়ার সুবাদে মহান আল্লাহর কাবা অর্থাৎ কাবা শরীফ দেখার এক অতুলনীয় ইচ্ছা সকলেরই মনের মাঝে থাকে কিন্তু সকলের আর্থিক অবস্থার দিকে চিন্তা করলে হয়তো সবাই হজ্ব পালনের সমর্থ্য আমরা রাখিনা কিন্তু ওমরা বা অনেকে যেটাকে ছোট হজ্বও বলে থাকেন এটি আদায় করার সামর্থ্য রাখি সেক্ষেত্রে অনেকেরই মনের মাঝে প্রশ্ন থাকে যে হজ্ব আদায়ের সমর্থ্য না থাকলে অথবা হজ্ব আদায়ের পূর্বে ওমরা আদায় করা যাবে কিনা অথবা হজ্বের টাকা জমানোর পূর্বে যদি ওমরাহ এর টাকা জমা করতে পারে তাহলে ওমরা পালন করা যাবে কিনা..? উত্তরে বলা যেতে পারে হজ্ব সকলের ওপরে ফরজ নয়। এবং হজ্ব ও ওমরার মধ্যে যদি ছেলে হয় তাহলে হজ্ব করার সামর্থ্য থাকলে অবশ্যই হজ্ব করবেন এবং যদি মেয়ে হয় তাহলে তার ওপর হজ্ব ফরজ হবে তখন যখন তার সাথে তার সঙ্গী হিসেবে বা তার সহযাত্রী হিসেবে একজন যেতে পারে তার খরচ অর্থাৎ দুইজন মানুষ হজ্ব করতে যে পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন হবে সেটি যদি আপনার কাছে থাকে তাহলে সে অবশ্যই হজ আদায় করবে। এবং যদি সে অর্থ না থাকে তাহলে যে টাকা আছে বা একটু কম থাকলেও আর কিছু যোগ দিয়ে যদি ওমরাহ করার ইচ্ছা পোষণ করেন তাহলে অবশ্যই আপনি ওমরা পালন করতে পারবেন। আল্লাহ তাআলা আমাদের সকলকে খানায় কাবা জিয়ারত করার তৌফিক দান করুন। আমীন!
ওমরা হজ্ব বা বড় হজের মধ্যে পার্থক্য যদি বলতে চাই তাহলে বলা যেতে পারে যে, অনেকেই ওমরা কে ছোট হজ্ব বলে থাকেন কিন্তু প্রকৃত অর্থে হজ্ব হজ্ব আর ওমরা ওমরাহ্ প্রকৃত অর্থে ওমরা এটি আসলে হজ্ব নয় অবশ্যই এ দুইটির মধ্যে আকাশ পাতাল পার্থক্য রয়েছে। যেটি কে হজ্ব বলা হয় সেটি ইসলামের একটি রোকন এবং এটিকে সামর্থ্যবানদের ওপর ফরজ করা হয়েছে। যদিও ওমরা কে কোন কোন ওলামায়ে কেরাম হজ্বের মধ্যেই গণনা করেছেন তবে ইসলামের যে রোকন সেটি কিন্তু হজ্ব। শুধু হজ্ব হতে পারে এবং সে হজ্ব শুধুমাত্র মক্কায় সম্পাদন করা সম্ভব নয় অর্থাৎ মসজিদুল হারাম এর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয় বরং আরাফাই যেতে হয় মিনায় যেতে হয়। আর হজ্ব হলো কয়েক দিনের কার্যক্রম পক্ষান্তরে ওমরা হল কয়েক ঘন্টার কার্যক্রম। এজন্য ২ টির মধ্যে অবশ্যই অনেক পার্থক্য রয়েছে এ বিষয়ে বিস্তারিত পর্যবেক্ষণ ছাড়া আমরা কোনভাবেই যে কোন সিদ্ধান্ত নিতে পারি না।