ফরজ গোসলের সঠিক নিয়ম

পাক-নাপাক

ফরজ গোসল বলতে বলা হয় যে সকল কারণে গোসল ফরজ হয়ে যায় সে সমস্ত গোসল কেই ফরজ গোসল বলা হয়। গোসল ফরজ হলে সর্বপ্রথম করণীয় হলো আপনি যখন বাথরুমে বা গোসল খানায় ইত্যাদি যেখানেই হোক গোসলে যাবেন তখন সর্বপ্রথম আপনার কাপড়ে এবং আপনার শরীরে যে জায়গায় নাপাকি লেগেছে সেটা প্রথমে পরিষ্কার করে নেওয়া। যদি আপনি জানেন যে আমার অমুক জায়গায় নাপাকি লেগেছে সেটা প্রথমে পরিষ্কার করে নেবেন। এরপরে নামাজের জন্য আমরা যেভাবে অজু করি সেভাবে অজু করা। কিন্তু শুধু পা ধোয়াটা বাকি রাখা। এরপর ওযু করার পরে আপনি গোসল করেন, সেটা আপনার শাওয়ার দিয়ে গোসল হতে পারে বা মগ দিয়ে হতে পারে, বা ইত্যাদি আপনি যেভাবে গোসল করেন। গোসল শেষে বের হওয়ার পূর্বে পা ধুয়ে ফেলা যে পা ধোয়াটা অযুর সময় বাকি রেখেছিলেন। গোসল শেষ।

লক্ষ্য রাখবেন প্রত্যেকটি অঙ্গে যেন পানি পৌঁছে বিশেষ করে লক্ষ্য রাখবেন নাভির প্যাচ বগল বা আন্ডার্রাম হাত পায়ের আঙ্গুলের মাঝখানে দুই পায়ের মাঝখানে কানের বাহির অংশে ইত্যাদি প্রত্যেকটি জায়গায় পানি পৌঁছানো জরুরী। এবং কারো যদি নেলপালিশ ইত্যাদি বা রং জাতীয় এরকম কিছু থেকে থাকে যেটার কারণে পানি আসলে চামড়ার পর্যন্ত যাইতে পারে না বা একটি পড়ল চামড়ার উপরে থেকে থাকে তাহলে সেটা রিমুভ করতে হবে অন্যথায় ফরজ গোসল আদায় হবে না। তাহলে সহজে বলতে গেলে প্রথমে গোসলে ঢুকেই নাপাক স্থানগুলো পরিষ্কার করে নিব এরপর যথারীতি নামাজের মত করে ওযু করে গোসল করব শুধু পা ধোয়াটা বাকি রাখবো ওযুর সময়, এবং গোসল শেষে পা টা ধুয়ে নিব আর গোসলের সময় লক্ষ্য রাখবো প্রত্যেকটি অঙ্গে যেন পানি পৌঁছে তাহলে ফরজ গোসল হয়ে যাবে। আর এভাবে যদি গোসল করা যায় গোসলের সময় ওযু করে তাহলে গোসলের পরে আর ওজুর প্রয়োজন নেই কিন্তু যদি এরকম কিছু হয় যেটার কারণে অজু ভেঙ্গে যায় যেমন প্রেসাব করলেন অথবা বায়ু ছাড়লেন ইত্যাদি যে সকল কারণে ওযু ভেঙে যায় এ সকল কারনের কোন একটি যদি আপনার দ্বারা গঠিত হয় তাহলে আপনার পুনরায় ওযু করতে হবে।