কিছু এমন ভুল যেগুলো অযুর সময় আমরা করি

পাক-নাপাক

ইবাদতের ক্ষেত্রে পবিত্রতা যেমন জরুরী তেমনি ভাবে পবিত্র হওয়ার জন্য ওযু জরুরী আমরা অনেকে এমন আছি ওজু করি কিন্তু কিছু এমন ভুল করে ফেলি যার কারণে আমাদের ওযু সম্পন্ন হয় না আর যদি ওযু সম্পূর্ণ না হয় তাহলে আমাদের এবাদত ও অসম্পূর্ণ থেকে যায় যেহেতু নামাজের জন্য পবিত্রতার জন্য ওযু শর্ত তাই অযুর সময় আমাদের অবশ্যই লক্ষ্য রাখা উচিত। সচরাচর আমরা প্রায় সকলেই এই কমন ভুলটি করে থাকি যেটা হল ওযুর সময় বিসমিল্লাহ না বলা এটা প্রায় আমরা সকলেই করে থাকি অনেকে এমন করেন ওযু খানায় বসে কারো সাথে কথা বলতে বলতে ওযু করতে শুরু করেন এবং অজু করেন অন্য জনের সাথে গল্পও করেন সেক্ষেত্রে আপনার ওজুর মনোযোগ নষ্ট হয় আপনি বিসমিল্লাহ বলে যান ইত্যাদি নানা ধরনের ভুল আপনার হয়ে থাকে ফজর শুরুতে বিসমিল্লাহ পড়ার গুরুত্ব এমন যে কিছু কিছু আলেম-ওলামা তো এমনও বলেছেন যে ওযুর শুরুতে বিসমিল্লাহ পড়া ফরজ। যদিও সংখ্যাগুলিষ্ঠ ওলামায়ে কেরামের মতে ওযুর শুরুতে বিসমিল্লাহ পড়া সুন্নত। আসলে অজুর শুরুতে বিসমিল্লাহ পড়ার গুরুত্ব বোঝানোর জন্য এ বিষয়গুলো বলা হলো আমরা সকলেই অজু করার সময় বিসমিল্লাহ পড়বো এবং এ বিষয়টির দিকে লক্ষ্য রাখবো।

দ্বিতীয় যে ভুলটি আমরা করে থাকি ওযুর সময় সেটি হল অযুর সময় মেসওয়াক করা ওযুর সময় মেসওয়াক করার গুরুত্ব অনেক আমাদের প্রিয় নবী তো এমন বলেছেন যে আমার উম্মতের জন্য যদি কষ্টসাধ্য না হয়ে যেত তাহলে আমি তাদেরকে ওযুর সময় মিসওয়াক করা বাধ্যতামূলক করে দিতাম ফরজ করে দিতাম। এর মানে বোঝা যায় যে যদিও এটা ফরজ না বাধ্যতামূলক না কিন্তু এর গুরুত্ব অপরিসীম এজন্য আমরা সকলেই চেষ্টা করব পুজোর সময় একটু মেসওয়াক করা। এম এস একটা এমন নয় যে অনেক সময় নিয়ে অনেক ভালোভাবে করতে হবে কিছুটা করলেও এর সুন্নত আদায় হয়ে যাবে। এখানেও আরেকটু প্রশ্ন থাকে যে ওযুর সময় বিসমিল্লাহ কখন করতে হবে এ বিষয়ে ওলামায়ে কেরামের বিশুদ্ধ মত হলো যখন আপনি কুলি করবেন তখন মেসওয়াক করা। আমরা আদায় করার চেষ্টা করব ইনশাল্লাহ

তৃতীয় যে ভুলটি আমরা সচরাচর করে থাকি সেটি হলো কুলি করা আসলে এক্ষেত্রে আমরা যখন ব্যস্ত থাকি বা অন্যমনস্ক থাকি তখন এ ভুলটি বেশি করে থাকি মুখের ভিতরে পানি নেই আর ফেলে দেই আসলে নিয়ম হল মুখের ভিতর পানি নেওয়ার পরে কিছুক্ষণ পানিটাকে মুখের ভিতরে নাড়া তাহলে আপনার মুখের যে ময়লা গুলো আছে এগুলো ওই গুলির সাথে বের হয়ে যাবে আসলে কুলি করার উদ্দেশ্যটা তো এজন্যই যে যত ময়লা আছে সেগুলো বের হয়ে যাবে যখন আপনি খুবই দ্রুতভাবে মুখে পানি নেন এবং বের করে ফেলেন তখন সে ময়লাটা পরিষ্কার হতে পারে না বা হয় না এজন্য আমরা যত ব্যস্ততায় থাকুক না কেন একটু খেয়াল করে ওযু করার সময় এই জিনিসটি আমল করার চেষ্টা করব ইনশাল্লাহ।
বিঃদ্রঃ আরো কিছু ভুল এগুলো আমরা সচরাচর করে থাকি সেগুলো আগামীতে আলোচনা করা হবে ইনশাল্লাহ।