কাপড়ে কতটুকু নাপাক লাগবে তা নাপাক হয়

পাক-নাপাক

আমরা যারা মুসলিম আছি আমাদের ধর্মের কিছু বিধি-বিধান আদেশ-নিষেধ রয়েছে এর মধ্যে পাক-পবিত্র এটি একটি বিধান। আমরা সকলেই জানি যে পবিত্রতা ঈমানের অঙ্গ আর পবিত্রতা ছাড়া অপবিত্র অবস্থায় আমরা যতই নামাজ পড়ি না কেন নামাজ হবে না এজন্য আমাদের সকলের পবিত্র থাকা জরুরী। কিন্তু কিছু কিছু এমন সময় বা কিছু এমন অবস্থা আছে যে সময় কিছুটা নাপাকি থাকলেও নামাজ পড়া জায়েজ হয় আজকে সে অবস্থা সম্পর্কে আলোচনা করব ইনশাআল্লাহ। আপনার কাপড়ে কতটুকু নাপাকি লাগলে শরীর নাপাক হয়ে যাবে এবং এই অবস্থায় নামাজ পড়া যাবে কি-না…? এক্ষেত্রে বলা যেতে পারে যে, যে সকল নাপাকি দৃশ্যমান যেমন মদ, রক্ত, পায়খানা ইত্যাদি যদি কাপড়ের মধ্যে লাগে আর এটার পরিমাণ যদি এক দিরহাম পরিমাণ হয় অর্থাৎ সহজে বলতে গেলে আমাদের বাংলাদেশে যে এক টাকা বা ৫ টাকার কয়েন গুলো পাওয়া যায় এই পরিমাণ টালুর যে অংশ এই পরিমাণ যদি নাপাক কোন কাপড়ে লাগে তাহলে সেটা পাক।

আর যদি এর থেকে সামান্য পরিমাণও বেশি হয় তাহলে সেটা নাপাক। এখন বলতে পারেন যে নাপাকি লাগছে আমি দেখতে পাচ্ছি বা আমি জানি এরপর আপনি বলতেছেন যে নাপাকি নয় তাহলে কেমন করে। এখানে দুইটি অবস্থা রয়েছে একটা এমন অবস্থা যে সময় আপনার কাছে অন্য কোন কাপড় বা বস্ত্রের ব্যবস্থা নেই সে অবস্থাই আপনার ওই কাপড়টা নাপাক। আর যদি আপনার কাছে অন্য কোন কাপড় থাকে তাহলে অবশ্যই কাপড়টা পরিবর্তন করেই আপনাকে নামাজ আদায় করতে হবে কারণ এই অবস্থায় ওই কাপড়টি নাপাক। আর যে সকল নাপাকি তরল বা পাতলা যেমন পেশাব। এজাতীয় নাপাকিতে আপনার কাপড়ের যে অংশে নাপাকি টা লেগেছে যেমন আপনি যে পোশাকটি পড়ে আছেন তার হাতাই এই নাপাকিটি লেগেছে তাহলে এখন যদি আপনি এই নাম্বারটি সহই নামাজ পড়তে যান তাহলেও দুইটি অবস্থা প্রথম অবস্থা হল যে আপনার যে অংশে নাপাকি লেগেছে এটির চার ভাগের এক ভাগ যেমন আপনার হাতাই নাপাকি লাগলে এই হাতার চার ভাগের এক ভাগ যদি না বাকি থাকে তাহলে সেটি পাক আর যদি চার ভাগের এক ভাগের বেশি হয়ে যায় তাহলে সেটি নাপাক। এ সকল বর্ণিত পাক নাপাকির মাসালা গুলো ঐ সমস্ত অবস্থার জন্য বলা হলো যখন আপনার কাছে কোন দ্বিতীয় কাপড় নেই বা সেটি ব্যবস্থা করার কোন উপায় নেই এমত অবস্থায় অন্যথায় নাপাকি যতটুকই লাগুক কাপড় নাপাক এবং সেটি পড়ে নামাজ আদায় করা যাবে না। কিন্তু বর্তমানে চিন্তা করলে এমতো অবস্থা প্রায় নাই বললেই চলে এ সকল অবস্থা পূর্বে একটি সময় ছিল যখন এটি সচরাচর হতো তাই আমরা সকলেই এদিকে লক্ষ্য রেখে এ সকল বিষয়ে আমল করার চেষ্টা করব ইনশাআল্লাহ।