ইস্তেখারা নামাজের নিয়ম ও দোয়া

দোয়া নামাজ

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। সম্মানিত প্রিয় পাঠক আজকে আমরা আলোচনা করব ইস্তেখারা নামাজের নিয়ম ও দোয়া সম্পর্কে। প্রথমেই আমরা জানব ইস্তেখারা জিনিসটা কি এবং কোন সময় এটি পালন করতে হয় বা আমল করতে হয়। আমাদের নবী প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত নেওয়ার পূর্বে বা কোন কাজ সম্পাদন করার পূর্বে ইস্তেখারা এর নামাজ পড়তেন যাতে করে আল্লাহর সাহায্যে উক্ত কাজটি সম্পাদন করা সহজ হয় এবং উক্ত কাজটি করা না করা বা কেমন করে করলে সেটার ভালো ফল পাওয়া যাবে সকল বিষয়ে আল্লাহর থেকে একটি সিদ্ধান্ত নেওয়া এই উদ্দেশ্যে তিনি ইস্তেখারা এর নামাজ আদায় করতেন। এবং তিনি সাহাবীদেরকে এটি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে এবং যাকে বলা যায় হাতে ধরে শিখিয়েছিলেন যাতে করে তারা উক্ত বিষয়ের উপরে আমল করতে পারে। আর সাহাবায়ে কেরাম দাঁড়াও সেটা পালন করেছেন কিন্তু বর্তমান সময়ে আমরা এমন মুসলিম যে আমাদের ধর্মের অনেক বিধি নিষেধ আমরা মানি না এর থেকেও বড় কথা আমরা আসলে জানিনা যে কোনটা করা উচিত আর কোনটা করা উচিত নয় বা কোনটা কিভাবে করতে হয়।

আমাদের মাঝে বর্তমানে ১০০ জনে দুইজন পাওয়া খুবই কষ্টকর যে সে ইস্তেখারা এর বিষয়ে জানে বা এটার উপরে আমল করে। যার কারনে আমাদের এমন একটা অবস্থা হয়েছে যে আমাদের নবীর এত বড় একটি সুন্নত এত বড় একটি আমল প্রায়ই বিলুপ্তির পথে কিন্তু এই আমলটি এমন যে আমাদের যিনি পথপ্রদর্শক হিসেবে আল্লাহতালা জিনাকে আমাদের কাছে পাঠিয়ে ছিলেন তিনি সর্বদাই এই আমল করার চেষ্টা করতেন এবং যেকোনো বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় অবশ্যই এই আমলটি করতেন কিন্তু আমাদের এমনই অধঃপতন হয়েছে যে আমরা এ বিষয়টি সম্পর্কে অনেকেই জানিনা। তাই আজ আমি এ বিষয়টি সকলের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করছি যাতে করে আমরা সামনে থেকে যেন এই আমলটি করতে পারি আল্লাহ তাআলা আমাকে সঠিকভাবে আপনাদের সামনে উপস্থাপনা করা এবং সঠিকটা তুলে ধরার জন্য সাহায্য করুন। আমিন! ইস্তেখারা শব্দের অর্থ কি..? ইস্তেখারা এটি خير শব্দ থেকে এসেছে আমরা যারা আরবি ব্যাকরণ জানি তারা বুঝতে পারব।

ইস্তেখারা অর্থ হল কল্যাণের প্রার্থনা করা আল্লাহ তায়ালার কাছে কল্যাণ চাওয়া طلب الخير আল্লাহ তায়ালার কাছে ভালো চাওয়া। এটা কখন করবেন যেমন আপনি আপনার বিবাহযোগ্য ছেলে বা মেয়ের জন্য এক জায়গায় সম্বন্ধ দেখেছেন এখন আপনি যতটুকু জেনেছেন সবকিছু ঠিক আছে আপনার পছন্দ হয়েছে আরো যত যা আছে সকল কিছু আপনার মনের মত হয়েছে এরপরেও কোন একটি প্রবলেম বা কোন এক বিষয়ে সমস্যা তো হতেই পারে এটা স্বাভাবিক তাহলে এই সমস্যা এই অনাকাঙ্ক্ষিত সমস্যাটা যেন না হয় সেজন্য আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করা এবং আল্লাহর কাছে একটি ফায়সালা চাওয়া তিনি যেন আমার জন্য কোনটা সঠিক হবে আমার কি করা উচিত সেটার একটা ফায়সালা দেন। একজন ঈমানদার অবশ্যই সকল কিছুতে আল্লাহকে স্মরণ করবে তার ভাল খারাপ সকল কিছুতে আর তাই ইস্তেখারা এটা একটা পদ্ধতি আল্লাহকে স্মরণ করার। এবং এটির একটি বিশেষ পদ্ধতি আছে সেই পদ্ধতিতেই আল্লাহর কাছে আমাদের প্রার্থনা করতে হবে তাই আসুন আমরা উক্ত পদ্ধতিটি জেনে নেওয়ার চেষ্টা করি। ইস্তেখারা এর নিয়ম হল নামাজের যে সমস্ত নিষিদ্ধ সময় রয়েছে অর্থাৎ দিনে রাতে যে সময় নামাজ পড়া নিষিদ্ধ (নামাজের নিষিদ্ধ সময় গুলো হল সূর্য উদিত হওয়ার সময়, সূর্য যখন একদম মাঝে মাঝে অবস্থানে থাকে অর্থাৎ সূর্য যখন মাথার উপরে থাকে সেই সময় এবং সূর্যাস্তের সময়) সে সময় গুলো বাদ দিয়ে অন্য যেকোনো সময় রাত ও দিনের মধ্যে।

উত্তম রূপে ওযু করে দুই রাকাত নামাজ আপনার জীবনে আপনি যতটুকু ভালোভাবে নামাজ আদায় করা জানেন সেই উত্তম রূপে দুই রাকাত নামাজ প্রথমে আপনি আদায় করবেন। অবশ্যই নামাজটা সুন্দর হওয়া জরুরী কেরাতটা একটু সুন্দর করে পড়া প্রত্যেকটা রুকু প্রত্যেকটা সিজদা এবং বৈঠকগুলো সঠিকভাবে সুন্দরভাবে আদায় করা এভাবে উত্তম রূপে দুই রাকাত নামাজ শেষ করা। এই নামাজটির নাম যেহেতু ইস্তেখারা তাই এর নামাজের নিয়ত আমরা এভাবেই মনে মনে করবো যে আমি দুই রাকাত ইস্তেখারার নামাজ আদায় করছি এভাবে নিয়ত করে দুই রাকাত নামাজ আদায় করা। অবশ্যই মনে রাখবেন এই ইস্তেখারা এর নামাজের জন্য আলাদা কোন সূরা নেই এমনি নফল নামাজ আদায়ের সময় আমরা যেভাবে যে কোন সূরা দিয়ে নামাজ আদায় করি ঠিক সেভাবেই দুই রাকাত নামাজ আদায় করা শুধু নামাজের নিয়ত টা এটা রাখা যে আমি ইস্তেখারা এর নামাজ আদায় করছি বাকি সকল কিছু দুই রাকাত নফল নামাজ আদায় করার জন্য আমরা যা করি ঠিক তেমনি ভাবে ইস্তেখারা এর নামাজও একই নিয়ম। কিছু মানুষ এটি নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে যে ইস্তেখারা এর নামাজে সুরা ফাতেহার পরে অমুক সূরা এতবার পড়তে হবে বা ওমুক আয়াত এতবার পড়তে হবে কিন্তু সঠিক নিয়ম অনুযায়ী এগুলোর কোন নির্দিষ্টতা নেই। এমনিভাবে আমরা নফল নামাজে সুরা ফাতেহার পরে আরেকটি সূরা মিলাই ঠিক তেমনিভাবে এই ইস্তেখারা এর নামাজেও একই নিয়মে আদায় করব।

অবশ্যই আমরা নিয়তের সময় ইস্তেখারা এর নিয়ত যেমন আল্লাহ আমি আমার অমুক কাজের সিদ্ধান্তের জন্য বা আমি অমুক বিষয়ের জন্য দুই রাকাত ইস্তেখারা এর নামাজ আদায় করছি এবং তোমার কাছ থেকে এটার একটি সিদ্ধান্ত বা সঠিক পথ এর দিশা চাচ্ছি তুমি আমাকে এর সঠিক পথ দেখাও। এই নিয়তে এইভাবে দুই রাকাত নামাজ শেষ করার পর একটি দোয়া রয়েছে যেটি ইস্তেখারা এর দোয়া বলেই পরিচিত। দোয়াটি হল:-اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْتَخِيرُكَ بِعِلْمِكَ ، وَأَسْتَعِينُكَ بِقُدْرَتِكَ ، وَأَسْأَلُكَ مِنْ فَضْلِكَ الْعَظِيمِ ، فَإِنَّكَ تَقْدِرُ وَلا أَقْدِرُ ، وَتَعْلَمُ وَلا أَعْلَمُ وَأَنْتَ عَلامُ الْغُيُوبِ ، اللَّهُمَّ إِنْ كُنْتَ تَعْلَمُ أَنَّ هَذَا الأَمْرَ– خَيْرٌ لِي فِي دِينِي وَمَعَاشِي وَعَاقِبَةِ أَمْرِي وَعَاجِلِهِ وَآجِلِهِ ، فَاقْدُرْهُ لِي وَيَسِّرْهُ لِي ثُمَّ بَارِكْ لِي فِيهِ وَإِنْ كُنْتَ تَعْلَمُ أَنَّ هَذَا الأَمْرَ شَرٌّ لِي فِي دِينِي وَمَعَاشِي وَعَاقِبَةِ أَمْرِي وَعَاجِلِهِ وَآجِلِهِ فَاصْرِفْهُ عَنِّي ، وَاصْرِفْنِي عَنْهُ ، وَاقْدُرْ لِيَ الْخَيْرَ حَيْثُ كَانَ ، ثُمَّ رَضِّنِي بِهِ
বাংলা উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি আস্তাখিরুকা বিইলমিকা, ওয়া আসতাাইনুকা বি কুদরতিকা, ওয়া আস আলুকা মিন ফাদলিকাল আজিম, ফা ইন্নাকা তাকিরো অলা আকদিরু,অতাআলামু অলা আ’লামু অ আন্তা আল্লা-মুল গুয়ুব,আল্লা-হুম্মা ইন কুন্তা তা’‌‍‌‍ লামু আন্না হা-যাল আমরু,খইরুল লি ফি দীনি অ মাআশি অ আকিবাতি আমরি অ আ-জিলিহি অ আ-জিলিহ, ফাকদুরহু লি, অ য়্যাসসিরহু লি, সুম্মা বা-রিক লি ফিহ অইন কুন্তা তালামু আন্না হাযাল আমরু শাররুল লি ফি দীনি অ মাআশি অ আ’-কিবাতি আমরি অ আ’-জিলিহি অ আ-জিলিহ, ফাস্বরিফহু আন্নি অস্বরিফনি আনহু, অক্বদুর লিয়াল খইরা হাইসু কা–না সুম্মা সুম্মা রযযিনি বিহ।

দোয়ার অর্থ: আল্লাহ আপনার এলেম থেকে আমি কল্যাণ কামনা করি, এবং আপনার অসীম শক্তি এর মধ্যে থেকে আমি শক্তি সামর্থ্য প্রার্থনা করি, এবং আপনার মহান অনুগ্রহ এবং করুনা আমি প্রার্থনা করি, কারন আপনি যা পারেন আমি তা পারি না, আর আপনি সব জানেন আমি সব জানি না, কারন আপনি গায়েবের এলেম রাখেন, আল্লাহ আপনি যদি মনে করেন আমার অমুক কাজটা যেটা আমি করতে চাচ্ছি, (এখানে هذا الامر যখন বলব তখন উক্ত কাজ বা উক্ত সিদ্ধান্ত যেটার জন্য আমি এই আমল করছি সেটার কথা চিন্তা করা) এবং আমার উক্ত কাজটা যদি আপনি ভাল মনে করেন, তাহলে সেটি আমার তাকদিরে দেন আমার জন্য বরকত করে দেন, এরপরে আমাকে এর মধ্যে বরকত দান করেন। এই দোয়াটি আমরা যদি কেউ মুখস্থ না পড়তে পারি তাহলে আমরা দেখে দেখে পড়বো। এখন প্রশ্ন হলো ইস্তেখারা এর এই নামাজ কতক্ষণ বা কতদিন পড়তে হবে…? উত্তর হল এই নামাজটি আমরা ততক্ষণ পর্যন্ত আদায় করব যতক্ষণ না পর্যন্ত আমরা যে উদ্দেশ্যে এই আমলটি শুরু করেছি সেটার বিষয়ে কোন সিদ্ধান্তে উপনীত হয়। যতক্ষণ না পর্যন্ত আল্লাহ তাআলা আপনার অন্তরের মধ্যে উক্ত বিষয়ের উপরে কোন সিদ্ধান্ত নেওয়ার সক্ষমতা দিচ্ছেন।

উক্ত আমল শেষ হওয়ার পরে আপনি যে সিদ্ধান্তে উপনীত হন না কেন যদি সেটা আপনার ইচ্ছার বিরুদ্ধেও হয় তবুও এটার মধ্যেই আল্লাহ তাআলার ফায়সালা রয়েছে এটার মধ্যেই আপনার জন্য বরকত রয়েছে। যেমন কোন একটি দোকান আপনি ক্রয় করবেন ভাবছিলেন এবং সেটি আপনার অত্যন্ত পছন্দনীয় একটি দোকান কিন্তু যখন আপনি আল্লাহর কাছে এই ইস্তেখারা এর নামাজ সঠিক নিয়মে আদায় করে ইস্তেখারা এর দোয়া করলেন এরপরে একটা সময় আপনার মনে হল যে সেটা আপনার ক্রয় করা ঠিক হবে না আর আপনি এই সিদ্ধান্তেই উপনীত হলেন তাহলে এমত অবস্থায় যদিও উক্ত জিনিসটি পূর্বে আপনার প্রতি পছন্দনীয় ছিল তবুও এখন যেহেতু আপনি ইস্তেখারা এর মাধ্যমে সেটি পরিত্যাগ করার সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন তাই এটার মধ্যে আপনার বরকত রয়েছে। আরেকটি ভুল ধারণা আমাদের মধ্যে প্রচলিত রয়েছে সেটি হল আমাদের খুব অল্পসংখ্যক কিছু মানুষ আছে যারা এই ইস্তেখারা করে কোন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার চেষ্টা করে এর মধ্যেও কিছু মানুষ মনে করে যে ইস্তেখারা করলে যে সিদ্ধান্তটি আসবে সেটি স্বপ্নের মাধ্যমেই হতে হবে।

অথচ এটা জরুরী না যে ইস্তেখারা এর জন্য স্বপ্নই দেখতে হবে স্বপ্ন ছাড়াও এ সকল বিষয়ে সিদ্ধান্ত হতে পারে। এ কথা বাস্তব যে আল্লাহ তাআলা ঈমানদারকে এমন কিছু স্বপ্ন দেখান যার থেকে সে সুসংবাদ গ্রহণ করে বা আল্লাহ তাআলা ঈমানদারকে সুসংবাদ দেওয়ার জন্য এ সকল স্বপ্ন দেখিয়ে থাকেন। আর এই জিনিসটাকে হাদিসের ভাষায় মোবাশ্বের বলা হয় এবং হাদীসে এটা উল্লেখ রয়েছে যে কিয়ামতের পূর্বে মানুষ মোবাশ্বের বেশি বেশি দেখবে অর্থাৎ মানুষ স্বপ্ন থেকে সুসংবাদ গ্রহণ করবে, স্বপ্ন থেকে দিকনির্দেশনা পাবে আল্লাহ তরফ থেকে বিভিন্ন বিষয়ে স্বপ্নের মাধ্যমে দিকনির্দেশনা দেওয়া হবে। যারা এই স্বপ্নের ব্যাখ্যা বোঝেন তারা অবশ্যই বুঝতে পারেন যে কোন স্বপ্নের মাধ্যমে কি বলা হয়েছে কিন্তু আমরা যারা বুঝিনা তারা হয়তো মনে করতে পারি যে তাহলে আমার কি হবে আসলে স্বপ্ন দেখাটা জরুরী নয় এরপরেও যদি আপনি স্বপ্ন দেখেন স্বপ্ন দেখার পরে আপনার মনের মধ্যে যে সিদ্ধান্তটি সঠিক মনে হবে সেটি আপনার জন্য জরুরী। এখন এইখানেও একটা সমস্যা আছে সমস্যাটি হলো ইস্তেখারা করার পরে আপনি একটা ব্যবসা শুরু করলেন শুরু করার পরে কোন কারনে আপনি ব্যবসায় লস করলেন তাহলে এটা মনে না করা যে আমি তো ইস্তেখারা করেই এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছিলাম।

তাহলে এটা কেন হলো আল্লাহ আমাকে কেমন সিদ্ধান্তে উপনীত করলেন। এইটা না ভেবে আপনি এভাবে ভাববেন যে আপনার উক্ত আমলের মধ্যে অবশ্যই কোন ত্রুটি ছিল যার কারণে আপনার এই সমস্যাটি হয়েছে অথবা বর্তমানে আপনার এই সমস্যাটি হওয়ার মাধ্যমেই আপনার জন্য বরকত রয়েছে। দেখবেন অনেক ব্যক্তিই বর্গ এমন আছে যাদের অনেক টাকা পয়সা অনেক সম্পদ কিন্তু সেই টাকা পয়সার কারণে সম্পদের কারণে তার ছেলে-মেয়ে তারা ভুল পথে হাঁটছে তখন সে ব্যক্তি এভাবেই বলে যে আজ যদি আমার এ সম্পদ না থাকতো তাহলে হয়তো আমার ছেলে-মেয়ে এমনটা হতো না। তাহলে এখান থেকে বোঝা গেল যে অনেক সময় সম্পদ না থাকার মধ্যেও মানুষের কল্যাণ নিহিত থাকে। এজন্য আমাদেরকে এক আল্লাহর উপর ভরসা রেখে সকল কিছুর জন্য খুশি থাকা এবং মনে করা যে আল্লাহ যা করেন মঙ্গলের জন্যই করেন। আল্লাহ তাআলা আমাদের সকলকে সঠিক বুঝ দান করুন এবং আল্লাহ তাআলার কাছে সকল আমল সঠিকভাবে করার তৌফিক দান করুন। আমীন!